Tuesday , May 21 2019
Home / ইসলামী জীবন / ‘শরীয়তের আইন পরিবর্তনের দুঃসাহস দেখালে মুসলমানরা দাঁতভাঙা জবাব দেবে’

‘শরীয়তের আইন পরিবর্তনের দুঃসাহস দেখালে মুসলমানরা দাঁতভাঙা জবাব দেবে’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, সম্পত্তিতে নারী-পুরুষের সমান ভাগ নিশ্চিতকরণের নামে কুরআনের আইনের পরিবর্তনের পাঁয়তারা করলে তাদের ছেড়ে দেয়া হবে না। শরীয়তের আইন পরিবর্তনের সাহস দেখালে তার দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে।

বুধবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম পূর্ব চত্বরে মহান মে দিবস উপলক্ষে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন ঢাকা মহানগর আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
তিনি বলেন, সরকার নাস্তিক-মুরতাদদের চক্রান্তে পা দিয়ে কুরআনের আইন পরিবর্তনের পাঁয়তারা করছে। এ ধরনের সাহস দেখালে বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে মুসলমানরা নিরবে বসে থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, নাস্তিক-মুরতাদগিরি দেখালে এদেশ থেকে বের হয়ে দেখাও। এদেশ মুসলমানদের দেশ, বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশ। এদেশে ইসলাম নিয়ে চক্রান্ত করলে তার দাঁতভাঙা জবাব দেয়া দেয়া হবে।

ফয়জুল করীম বলেন, ইসলাম নারীদের সমান অধিকার নয়, অগ্রাধিকার দিয়েছে। নারীদের অধিকার দিতে চাইলে কুরআন বর্ণিত নীতি বাস্তবায়ন করুন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত র‌্যালি পূর্ব সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কৃষি ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, মুফতী ছিদ্দিকুর রহমান, হাফেজ শাহাদত হুসাইন প্রধানিয়া, ইমাম হোসাইন ভুইয়া প্রমুখ।

সমাবেশের পর একটি বিশাল র‌্যালি বায়তুল মোকাররম, পল্টন মোড় হয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে সমাপ্ত হয়।

মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৮ বছর পরও শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য মজুরি পাচ্ছে না। শ্রমিকরা বার বার শোষণ বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়ন হলে শ্রমিকরা তাদের শ্রমির মর্যাদা পাবে।

About habiba sakib

Check Also

যেখানে ২৪ ঘণ্টাই দিন, কিভাবে রোজা রাখেন তারা

স্ক্যান্ডেনেভিয়া অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশে দিন বড়, রাত খুবই ছোট। আবার কোথাও কোথাও ২৪ ঘণ্টাই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *