Tuesday , June 18 2019
Home / রাজনীতি / রিজভী অবরুদ্ধ?

রিজভী অবরুদ্ধ?

মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে দেওয়ায় জন্য বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে দোষারোপ করছেন ছাত্রদলের সাবেক নেতাকর্মীরা। এজন্য রিজভীকে কেন্দ্রীয় কার্যাবলয় ছাড়ারও হুঁমকি দিচ্ছেন ছাত্রনেতারা। তারা রিজভীর দুই গালে জুতা মারো তালে তালেসহ বিভিন্ন স্লোগানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যােলয় মুখরিত করে তুলেছেন। এদিকে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে দেওয়ায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রাখা ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। ভেতর থেকে কর্মচারীদেরও বের করে দিয়েছে বলে জানা গেছে।

যদিও রিজভী অবরুদ্ধ নন বলে দাবি করেছেন ভেঙে দেওয়া কমিটির সহসভাপতি এজমল হোসেন পাইলট। তিনি বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, রিজভী কেন্দ্রীয় কার্যােলয়ে অবরুদ্ধ নন। তিনি চাইলে আমরা তাকে কার্যােলয় থেকে বের হতে দেবো। তবে রিজভী অফিস থেকে বের হবেন না বলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যায়লয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রটি জানায়, মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৬ টায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যাকলয়ে যান দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এর আগে বিএনপির আরেক সদস্য মির্জা আব্বাস কেন্দ্রীয় কার্যাটলয়ে ভিতরে গিয়ে রিজভী সঙ্গে কথা বলেন।

এদিকে বয়সসীমা না করে ধারাবাহিক কমিটির দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিদ্যুতের লাইন কেটে দিয়েছে।এদিন সকাল সোয়া ১১ টায় রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন সাবেক ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

এসময় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে আসেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এবং প্রশিক্ষণ বিষয় সম্পাদক এবিএম মোশারফ হোসেন।

বিএনপির এই চার নেতা কার্যালয়ে প্রবেশ করতে চাইলে তাদেরকে বাধা দেন সাবেক ছাত্রনেতারা। এসময় তাদের সঙ্গে ছাত্রনেতাদের কমিটির বিষয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়। বিএনপির চার নেতাকে ছাত্রনেতারা বলেন, বয়সসীমা না করে ছাত্রদলের ধারাবাহিক কমিটি দিতে হবে। আর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী একাই দুটি পদ নিয়ে অফিসকেই বাড়ি-ঘর বানিয়েছেন। রিজভীকে এখান থেকে বের করে নিয়ে যান।

এদিকে গত ২০১৮ সালে ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ারর সাজা হওয়ার পর থেকেই দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েই থাকেন রিজভী। সেখানই প্রায় প্রতিদিন সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। এছাড়া প্রায় সময় বিএনপির অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলেও নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে রিজভীকে।

About RASEL RASEL

Check Also

‘বুয়েট ছাত্রদলের ভিপি ছিলেন বালিশ মাসুদুল’

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের আওতায় আসবাবপত্র ও বালিশ ক্রয়সহ অন্যান্য কাজের অস্বাভাবিক ব্যয়ের অভিযোগের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *