Saturday , July 20 2019
Home / অন্যান্য / ভাংচুরকৃত অংশ পুনরায় সংষ্কারের অভিযোগ কেশবপুরে সরকারী রাস্তা ভুমিদস্যুদের কবল থেকে দীর্ঘ ৮ বছরেও দখলমুক্ত হয়নি

ভাংচুরকৃত অংশ পুনরায় সংষ্কারের অভিযোগ কেশবপুরে সরকারী রাস্তা ভুমিদস্যুদের কবল থেকে দীর্ঘ ৮ বছরেও দখলমুক্ত হয়নি

ভাংচুরকৃত অংশ পুনরায় সংষ্কারের অভিযোগÑ
কেশবপুরে সরকারী রাস্তা ভুমিদস্যুদের কবল থেকে দীর্ঘ ৮ বছরেও দখলমুক্ত হয়নি
আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
কেশবপুরে সরকারী রাস্তা দখলবাজ ভুমিদস্যুদের কবল থেকে দীর্ঘ ৮ বছরেও দখলমুক্ত হয়নি অবৈধ স্থাপনা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নিয়ে বরং ভাংচুরকৃত অবৈধ স্থাপনা পুনরায় সংষ্কার করার অভিযোগ উঠেছে ঐ সকল ভুমিদস্যুদের বিরুদ্ধে।

জরেজমিন ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত ব্রাক্ষনডাঙ্গা (কমলাপুর) গ্রামের নুরো মড়লের বাড়ী থেকে পুরাতন মসজিদ পর্যন্ত প্রায় ৮০০ ফুট দৈর্ঘ ও ১৫ ফুট চওড়া সরকারী রাস্তাটির সিংহভাগ জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে ঐ গ্রামের শওকাত আলী মোড়ল,কওছার আলী মোড়ল, হাবিবুর রহমান, মশিয়ার রহমান,আজিজুর রহমান,মোস্তাফিজুর রহমান,আঃ সালাম মোড়ল,হাফিজুর রহমান মোড়ল,আঃ রশিদ মোড়ল,আঃ মজিদ মোড়লসহ কতিপয় ব্যক্তি সেখানে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মান করে ভোগ দখল করে আসছে। যে কারনে জনসাধারন উক্ত রাস্তা সংলগ্ন ব্যক্তি মালিকানাধিন জমির উপর দিয়ে বিকল্প রাস্তা হিসেবে চলাচল করে আসছে। সরকারী রাস্তা থাকা সত্বেও জন সাধারন বিকল্প রাস্তা সৃষ্টি করায় ব্যক্তি মালিকানাধিন জমির মালিকরা অপুরনীয় ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবির প্রতি একমত পোষন করে সরকারী রাস্তা হতে অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়ে ঐ গ্রামের খাইরুল বাসার,নুরো,শফিকুল ইসলাম ও আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে গত ২০ মে-১০ সালে যশোর জেলা প্রশাসক বরাবর দখলকারী ভুমিদস্যুদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করলে জেলা প্রশাসক তৎকালীন রেভিনিউ অফিসার এস.এম সোহরাব হোসেনের দায়িত্বে প্রেরন করেন। রেভিনিউ অফিসার ২৭/০৬-১০ তারিখের মধ্যে যথাযথ তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিদা সুলতানার নির্দেশক্রমে সহকারী কমিশনার (ভুমি) কেশবপুর তদন্ত শেষে সরকারী রাস্তা দখলকরীদের বিরুদ্ধে গত ০৮-০৯-২০১০ তারিখ একটি উচ্ছেদ কেস নথি ভুক্ত করেন। যার নং-০৮/ ঠওওও/২০০৯-২০১০।

পরবর্তি ০৫-১২-২০১০ তারিখ জেলা প্রশাসক মহাদয় প্রাপ্ত হয়ে সরকারী জমির উপর থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শিরনামে ০৫.৩০৯.০০০.০৫.০১.০০০৮.২০১০.২৫৭৩-২৫৮২ নংস্বারক/নোটিশ মোতাবেক উপরক্ত অবৈধ দখদাররেকে আগামী ০৭ দিনের মধ্যে সরকারী জমি হতে অবৈধস্থাপনা সরাইয়া নিতে ব্যর্থ হলে আইনগত ভাবে উচ্ছেদ করা হবে মর্মে নোটিশ প্রেরন করেন। সময় সীমার মধ্যে নোটিশ প্রাপ্তরা সরকারী রাস্তা হতে অবৈধ স্থাপনা অপসারন না করায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশক্রমে বিগত ২০-১১-২০১১ তারিখে তৎকালনি নির্বাহী ম্যাষ্ট্রেট (ভুমি হুকুম দখল কর্মকর্তা) শৈলেন্দ্রনাথ মন্ডল ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে র‌্যাব-০৬ যশোর ক্যাম্পের সদস্যের সহযোগীতায় ৯৯ নং ব্রাক্ষনডাঙ্গা মৌজার এস.এ ১ নং খাস খতিয়ানের ৩১০ ও ৩৫১ দাগের সারকারী রাস্তার উপর হতে অবৈধ স্থাপনা ভাংচুর করে ভাংচুরকৃত স্থাপনা আগামী ০৭ দিনের মধ্যে সরাইয়া নিবার জন্য আদেশ প্রদান করেন। কিন্তু দীর্ঘ ০৮ বছর অতিবাহিত হলেও অবৈধ দখলদারগন ভাংচুরকৃত অবৈধ স্থাপনা সরকারী রাস্তার উপর থেকে না সরিয়ে উল্টো সংষ্কার করে দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

ভাংচুরকৃত অবৈধ স্থাপনা না সরিয়ে উল্টো সংষ্কার কাজ চালিয়ে যাওয়ায় এলাকবাসীর পক্ষে ব্রাক্ষনডাঙ্গা (কমলাপুর) গ্রামের মৃত শরিতুল্্য মোড়লে ছেলে নুরো মোড়ল ৩১-০৫-১৮ তারিখ উক্ত সরকারী রাস্তা থেকে অবৈধ্য স্থাপনা অসারনের দাবিতে যশোর জেলা প্রশাসক বরাবর আরো একটি অভিযোগ করলে গত ২৬-০৬-১৯ তারিখ কেশবপুর সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও এক্্িরকিউটিভ ম্যাজেস্ট্রিট মোঃ এনামুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩০ জুনের মধ্যে সরকারী রাস্তার উপর থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য দখলদার ভুমিদস্যুদের নির্দেশ দিলেও এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সরকারী রাস্তা থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি বলে জানা গেছে। এব্যাপারে অভিযুক্ত সরকারী রাস্তা দখল ব্যক্তিদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, দ্রুত অবৈধ স্থাপনা অপসারন করা হবে। এ ব্যাপারে কেশবপুর সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও এক্্িরকিউটিভ ম্যাজেস্ট্রিট মোঃ এনামুল হকের বক্তব্য নিতে তার অফিস কক্ষে গেলে অফিস সহকারী বলেন, স্যার ট্রেনিং-এ আছে। এমনকি মোবাইল ফোনে চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

About habiba sakib

Check Also

ভালোবাসো আর নাইবা বাসো আমি তোমায় শুধু ভালোবেসে যাবো,,

  লেখক: আজিজুর রহমান: তোমারি ভাবনায় আসেনা ঘুম! রাত জেগে ভেবে ভেবে থাকি সারাক্ষণ আমি… …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *